সংবাদ শিরোনাম
DSE

এখনই সময় হিমালয় দেখার

himaly

প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্য দেখতে এবারো দেশি-বিদেশি পর্যটকরা আসতে শুরু করেছেন হিমালয় কন্যা তেঁতুলিয়ায়। প্রতিবছর এ সময়টিতে পর্যটকদের আগমন ঘটে। শুধু পর্যটক নয় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বনভোজন করতেও আসেন অনেকে। একেবারে কাছ থেকে হিমালয় দেখতে হলে যেতে হবে নেপাল কিংবা তিব্বতে। সে এক লম্বা সফর। প্রয়োজন অনেক টাকার।
এর মধ্যে বিভিন্ন ঝক্কি-ঝামেলা তো রয়েছেই। কেবল বিত্তবানদের ভাগ্যেই জোটে এ সুযোগ। তাই দেশের ভ্রমণপিপাসু অনেকে এখান থেকেই উপভোগ করেন হিমালয়ের নয়নাভিরাম দৃশ্য। দূর থেকে হলেও দেখে মনে হবে একবারে কাছ থেকে নৈসর্গিক এ দৃশ্য উপভোগ করছি। মেঘমুক্ত আকাশে শীতের সকালের সোনা রোদ যখন হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টে ঠিকরে পড়ে, তখন এই অনাবিল দৃশ্য দেখে জুড়িয়ে যায় দুচোখ। হিমালয়ের পাশাপাশি বাড়তি পাওয়া হিসেবে দেখা যায় ভারতের কাঞ্চনজংঘা পাহাড়। দেখা যাবে ভারতের দার্জিলিং পাহাড়ের আঁকাবাঁকা রাস্তা বেয়ে চলছে ছোট-বড় যানবাহন। সারি সারি গাছের কোল ঘেঁষে পাহাড়িদের বাড়িঘর। এ দৃশ্য দেখার জন্য দুরবীন বা বাইনোকুলার সঙ্গে আনার প্রয়োজন হয় না। দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকলে খালি চোখে দেখা যাবে প্রকৃতির এসব অপার দৃশ্য। দুর্লভ এ দৃশ্য স্মৃতিপটে ধরে রাখতে অনেকে ডিজিটাল স্টিল কিংবা মুভি ক্যামেরা এনে থাকেন। প্রকৃতির এই অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা পর্যটকদের চাপে বর্তমানে আবাসিক হোটেল, ডাকবাংলো ও পিকনিক কর্নারের আবাসিকগুলোয় রাতযাপনের জন্য সিট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এছাড়া পর্যটকদের আরো আকর্ষণ হচ্ছে তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর। যেখান দিয়ে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে পণ্য আনা-নেয়া হচ্ছে। এখানে আছে মহানন্দা নদীর কোল ঘেষে উঁচু টিলায় অবস্থিত তেঁতুলিয়ার ঐতিহাসিক ডাকবাংলো। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নজরে আসবে শ্রমিকরা নদী থেকে পাথর তুলছে। নদীর মাঝখানে দুই দেশের সীমানা হলেও মাঝে মধ্যে তারা চলে যাচ্ছে ভারতীয় অংশে। নদীর ওপারেই ভারত। সেখান থেকে দাঁড়িয়ে ভারতের পল্লী এ লাকার দৃশ্য চোখের সামনে ভাসবে। সন্ধ্যা হলে ভারতীয় সীমান্ত এলাকা লাইটের আলোয় আলোকিত হয়ে যায়। থাকে সারা রাত। আছে জেমকন লিমিটেডের কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেট। রওশনপুরে রয়েছে তাদের সুন্দর সুন্দর কিছু অবকাঠামো। যা সব শ্রেণির মানুষ উপভোগ করে। সিলেটের মতো বড় বড় চা-বাগান না থাকলেও এখানে চোখে পড়ে সমতল ভূমিতে গড়ে ওঠা ছোট ছোট অসংখ্য চা-বাগান।