সংবাদ শিরোনাম
DSE

এফবিসিসিআই সভাপতিপদে নির্বাচন ঘিরে সরগরম ব্যবসায়ীপাড়া!

fbcci

দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই এর সভাপতি কে হচ্ছেন তা নিয়ে সরগরম এখন ব্যবসায়ীপাড়া। তবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইটা এবার পোশাকশিল্পের ব্যবসায়ী ও প্লাস্টিক শিল্পের ব্যবসায়ীদের মধ্যেই হবে। এমনটাই জানা যায় এফবিসিসিআইসূত্রে।

এফসিসিসিআই এর আসন্ন ১৪ মে এর নির্বাচনে সভাপতিপদের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা এসেছে দুই জনের পক্ষ থেকে। একজন হলেন পোশাকশিল্পের ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিজিএমইএ-র সাবেক সভাপতি ও এফবিসিসিআই-র প্রথম সহ-সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন। অন্যদিকে জোরেসোরে শোনা যাচ্ছে প্লাস্টিকশিল্পের ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিপিজিএমইএ-র সভাপতি জসিম উদ্দিনের নাম।

এফবিসিসিআই-র নির্বাচনে অংশ গ্রহণের বিষয়ে বিপিজিএমইএ-র সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, ‘এফবিসিসিআই-র আসন্ন নির্বাচনে আমি অংশ নেব এমন সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিলাম। নির্বাচন বরাবরের মতোই সুষ্ঠু হবে। সেই উদ্দেশ্যে কাজ করছি।‘

তবে ভোটের পাল্লা কার দিকে ভারী হবে তা নিয়ে চলছে নানা হিসাব নিকাশ। সরকারের সর্বোচ্চ মহল পর্যন্ত লবিং-এ ব্যস্ত দুই প্রতিদ্বন্দ্বী। কেউ যেন কারো থেকে কম নন।

এরই মধ্যে এফবিসিসিআই নির্বাচনকে সামনে রেখে শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনের পক্ষে পোশাকশিল্প-ব্যবসায়ীদের একটি একটি গ্রুপ বৈঠক করেছেন হোটেল সোনারগাঁওয়ে।

বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র জানায়, এফবিসিসিআই-র আসন্ন নির্বাচনে শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনকে জেতানোর জন্য মাঠে কাজ করবেন পোশাকশিল্প ব্যবসায়ীরা। শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনকে সব ধরনের সহায়তা দিতে পোশাকশিল্পের ব্যবসায়ীরা তার পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তবে থেমে নেই বিজিএমইএ সভাপতি জসিম উদ্দিনের পক্ষের ব্যবসায়ীরাও। দফায় দফায় দেশের পাঁচ তারকা হোটেলগুলোতে হচ্ছে তাদের বৈঠক।

তবে যে-প্রার্থী সরকারি দলের সমর্থন পাবে তার প্যানেলই এগিয়ে থাকবে নির্বাচনে। আর তাই সরকারি দলের সমর্থন পাওয়ার জন্য ছুটোছ’টি করছেন শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ও জসিম উদ্দিন দু’জনেই। তবে স্বচ্ছ্ নির্বাচনই করতে হবে–সরকারি দলের পক্ষ থেকে এমন বার্তাই দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায় এফবিসিসিআই সূত্রে।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে এফবিসিসিআই। তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীদের ১০ এপ্রিলের মধ্যে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে হবে। ১০ এপ্রিল পর্যন্ত পরিচালক পদে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করার পর ২৩ এপ্রিল বৈধ মনোনয়নের তালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রার্থীর তালিকা নিয়ে আপত্তি থাকলে ২৭ ও ২৯ এপ্রিল শুনানি শেষে ৩০ এপ্রিল চূড়ান্ত প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রার্থিতা তুলে নেওয়ার শেষ সময় ৬ মে।

গত বছরের ২৯ জুন এফবিসিসিআই বোর্ডসভায় নির্বাচন বোর্ড ও আপিল বোর্ড গঠন করা হয়। নির্বাচন বোর্ডের প্রধান করা হয় সংসদ সদস্য প্রফেসর আলী আশরাফকে। আর নির্বাচনী আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয় বিটিএমই-র সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আল আমিনকে।

১৪ মে এফবিসিসিআই নির্বাচনে নির্বাচিত পরিচালকরা ১৬ মে সভাপতি, প্রথম সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি পদে নির্বাচন করবেন।