সংবাদ শিরোনাম
DSE

দখলমুক্ত হচ্ছে খাল ও নদী

khal

রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীর তীরসহ বিভিন্ন খাল দখল হয়ে গেছে অনেক আগেই। যার সাথে জড়িত রয়েছে প্রভাবশালী মহল। এবার সরকার জোড়ালো ভাবেই খাল এবং নদী দখলমুক্ত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। রাজধানীর ১৩টি খাল দখলে রয়েছে। ইতোমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে ২টি খাল। বাকি ১১টি খাল উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। তাই ঘুম হারাম দখলকারীদের। শেষপর্যন্ত জায়গা দখলে রাখতে ঠুকে দিচ্ছেন মামলা। তাতেও থেমে যাবে না নৌ মন্ত্রণালয়। এসব প্রতিহত করেই নদী এবং খাল দখল করা হবে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান।

সোমবার সচিবালয়ে এক সভা শেষে তিনি বলেন, ঢাকা শহরে আমরা মোট ১৩টি খাল শনাক্ত করেছি। এরমধ্যে ২টি খাল উদ্ধার করে দখলমুক্ত রাখার জন্য দুইপাশে পাকা করেছি। বাকি ১১টি খাল উদ্ধারের জন্য যা যা কার্যক্রম গ্রহণ করার দরকার ইতোমধ্যে আমরা ওয়াসাকে সে ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছি। দখলকৃত ১৩টি খালের অনেকগুলো জায়গায় অনেক স্থাপনা হয়ে গেছে। তারপরেও সেগুলো আমরা উদ্ধার করবো। অনেক সময় দখলকারীরা আদালতে চলে যায়, মামলা করে। এগুলো মোকাবেলা করেই আমাদের এগুতে হচ্ছে। আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, বুড়িগঙ্গা নদীর তীর অনেকটাই দখলদারদের হাতে চলে গেছে। বিভিন্ন স্থাপনাও উঠেছে সেখানে। বুড়িগঙ্গা থেকে দখলদার মুক্ত করে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে ব্যাগ পেতে হবে সরকারের। তবে মন্ত্রীর ঘোষণা, বুড়িগঙ্গা উদ্ধারের জন্য আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, আমরা আদি বুড়িগঙ্গা উদ্ধারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা উদ্ধারে অনেক জটিলতা আছে। কারণ ওখানে অনেক বড়বড় স্থাপনা হয়ে গেছে। সেগুলোকে অপসারণের জন্য ব্যবস্থা নেয়ার কার্যক্রম চলছে। তবে আদি বুড়িগঙ্গা উদ্ধারের জন্য আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। উদ্ধারকৃত জায়গা যেন আবার দখল না হয়ে যায় সেজন্য ওয়াকওয়ে (হাটার রাস্তা) নির্মাণ করছে সরকার। ইতোমধ্যে ২০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে (হাটার রাস্তা) নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ৫০ কিলোমিটার করার অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। এগুলোসহ মোট ২৮০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে (হাটার রাস্তা) নির্মাণ করবে সরকার।