বন্যাদুর্গতদের সহায়তা প্রদান করছে কোকা-কোলার ফ্র্যাঞ্চাইজি বটলার আবদুল মোনেম লিঃ

বিডিএফএন টোয়িন্টিফোর.কম

কোকা-কোলা বাংলাদেশ তাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি বটলিং পার্টনার আবদুল মোনেম লিমিটেডের মাধ্যমে সিলেটের বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষদের মাঝে ১,২০,০০০ বোতল কিনলে মিনারেল ওয়াটার বিতরণ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সিলেট বিভাগের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালের বন্যার চাইতেও খারাপ। এই দুঃসময়ে ঐ এলাকার মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে কোকা-কোলা বাংলাদেশের কোম্পানিটি।

সিলেট, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে যেন এই পানির বোতলগুলো পৌঁছে যায়, কোম্পানিটি তা নিশ্চিত করার লক্ষে, তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও স্থানীয় হাসপাতালের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।

আবদুল মোনেম লিমিটেডের মুখপাত্র বলেন, “সিলেট বিভাগের এই কঠিন সময় পার করা মানুষদের প্রতি আমাদের গভীর সহানুভূতি জানাচ্ছি। মানুষ যাতে তাদের পানির চাহিদা আংশিক হলেও মিটাতে পারে, আমরা সেই লক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাথে কাজ করছি । আমরা আশা করি, পরিস্থিতির দ্রুতই উন্নতি ঘটবে এবং আমরা শীঘ্রই এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠবো।”

নিজেদের কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষকে সহায়তার জন্য কোকা-কোলা বাংলাদেশ সিস্টেম দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এর আগে, কোভিড মহামারিকালীন, সিস্টেমটি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি বাংলাদেশ ও কেয়ার বাংলাদেশসহ অসংখ্য এনজিও-র সাথে মিলিতভাবে টিকা বিতরণে সহায়তার পাশাপাশি কোভিড সেইফটি কিটস (পিপিই – মাস্ক, গ্লাভস, স্যানিটাইজার) এবং টিকা কার্যক্রমের ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

কোকা-কোলা
বিগত পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে পৃথিবীকে চাঙ্গা করা ও সমাজে পরিবর্তন আনার উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে কোকা-কোলা বাংলাদেশ। আমাদের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে আছে কোকা-কোলা, ডায়েট কোক, স্প্রাইট, ফ্যান্টা, কিনলে ওয়াটার, কিনলে সোডা, কোকা-কোলা জিরো, স্প্রাইট জিরো ও থামস-আপ কারেন্ট। কোম্পানি-মালিকানাধীন বটলিং প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল বেভারেজেস প্রাইভেট লিমিটেড (আইবিপিএল) এবং দ্য কোকা-কোলা কোম্পানির (টিসিসিসি) স্বাধীন/স্বতন্ত্র, অনুমোদিত ফ্র্যাঞ্চাইজি বটলার আবদুল মোনেম লিমিটেড (এএমএল) নিয়ে কোকা-কোলা বাংলাদেশ সিস্টেম গঠিত। এই সিস্টেম বর্তমানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যথাক্রমে ৮০০ ও ২১,০০০ এর বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছে। সারা দেশের মানুষদের জন্য পানি, স্যানিটেশন, হাইজিন ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব রাখা আমাদের লক্ষ্য। আমাদের ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম “উইমেন বিজনেস সেন্টার” এর লক্ষ্য নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন। ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২০ সালের মধ্যে ১ লক্ষ নারীর ক্ষমতায়ন করা হয়েছে। “ওয়ার্ল্ড উইদাউট ওয়েস্ট” গড়ার বৈশ্বিক প্রতিজ্ঞার অংশ হিসেবে গত ১০ বছর ধরে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক কোস্টাল ক্লিনআপ প্রকল্পের গর্বিত অংশীদার কোকা-কোলা। এছাড়া, বারিন্দ অঞ্চলে পানির অপচয় রোধে আইডব্লিউইটি প্রকল্পে মিলিতভাবে কাজ করছে দ্য কোকা-কোলা ফাউন্ডেশন (টিসিসিএফ)। টিসিসিএফ-এর সহায়তায় মহামারি চলাকালীন কমিউনিটিকে সাহায্য করছে কোম্পানিটি। যার মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৫০ লক্ষ লোকের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব রাখা সম্ভব হয়েছে।