দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সায়েম সোবহান আনভীর

বিশেষ প্রতিবেদক

বাংলাদেশের শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য, সাহিত্য, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি জগতের তরুণ উদ্যোক্তাদের মধ্যে সায়েম সোবহান আনভীর খুব পরিচিত একটি নাম। বসুন্ধরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বসুন্ধরা গ্রুপ রিয়েল এস্টেট কোম্পানি হিসাবে ব্যবসা শুরু করলেও এখন তারা ৫৩ টিরও বেশি ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত। যার মধ্যে আবাসন, নির্মাণ, সরবরাহকারী, মিডিয়া, ভারী ইস্পাত এবং প্রকৌশল সাপোর্ট, খাদ্য ও পানীয়, কাগজ এবং সজ্জা, বিকল্প বিকল্প উৎস, সামুদ্রিক পরিবহণ, তথ্য প্রযুক্তি, খনন এবং ড্রেজিং, বৃত্তিমূলক এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা, ইউটিলিটি সার্ভিস সাপ্লিমেন্ট, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ইত্যাদি।

বসুন্ধরা গ্রুপের সম্মানিত চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ২০০১ সালে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে সায়েম সোবহান আনভীরকে নিয়োগ দেন। সায়েম সেবাহান আনভীর পড়াশোনা করেছেন যুক্তরাজ্যে। সেখানে তিনি ইলির কিংস স্কুল, ক্যামব্রিজশায়ার স্কুল এর পর তিনি ব্যাচেলর অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন বা বিবিএ করেন লন্ডনে অ্যামেরিকান ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সায়েম সোবহান আনভীর ৩১ শে জানুয়ারি ১৯৮১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মা আফরোজা বেগম এবং বাবা আহমেদ আকবর সোবহান। আনভির ২০ বছর বয়সে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হয়েছিলেন, বয়সে অনেক ছোট হলেও তিনি দৃঢ়তার সাথেই হাল ধরে রেখেছেন বসুন্ধরা গ্রুপের। ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে তিনি সফলতার সঙ্গে ২০ বছর অতিক্রম করেছেন। বসুন্ধরা গ্রুপ মানব সম্পদ উন্নয়নে একটি নতুন যুগ খুঁজে পেয়েছে সায়েম সোবহান আনভীরকে সঙ্গে নিয়ে।

সায়েম সোবহান আনভীর এমন একজন ব্যক্তির নাম, যিনি তাঁর সামাজিক কার্যক্রমের জন্য বিখ্যাত। ঢাকা ক্লাব লিমিটেড (ডিসিএল), গুলশান ক্লাব লিমিটেড (জিসিএল), অল কমিউনিটি ক্লাব (এসিএল) এবং উত্তরা ক্লাব লিমিটেড (ইউসি) এর সদস্য। দেশের ক্রীড়া জগতেও তার অবদান অনস্বীকার্য। তিনি দেশের প্রখ্যাত ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের চেয়ারম্যান। বাংলাদেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সায়েম সোবহান এর অবদান তাকে সিআইপির মর্যাদা দান করেছে। তিনি যে শুধু দেশেই তার কর্মের স্বীকৃতি পেয়েছেন তা নয়। দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখার পাশাপাশি ক্রীড়া, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা, সমাজ সেবা ও গণমাধ্যমে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ভারতের মর্যাদাপূর্ণ দাদা সাহেব ফালকে এক্সিলেন্স এ্যাওয়ার্ড-২০১৭-এ ভূষিত হন সায়েম।

সায়েম সোবহান আনভীর যিনি অনন্য সাধারণ বিজনেস আইকন। বসুন্ধরা গ্রুপের কর্ণধার আহমেদ আকবর সোবহানের যোগ্য উত্তরসূরী হিসাবে নিজেকে ধীরে ধীরে নিয়ে যাচ্ছেন অনন্য উচ্চতায়। সততা, নিষ্ঠা, কাজের প্রতি একাগ্রতা আর মানুষের প্রতি ভালোবাসায় প্রতিনিয়ত নিজেকেই নিজে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। আর দেশের গন্ডি ছাপিয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর এখন বিশ্বসেরা উদ্যোক্তাদের কাতারে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অন্যতম নিয়ামক শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখছেন সায়েম সোবহান। প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছেন ক্লান্তিহীনভাবে নিরবে। দেশের বাণিজ্য, ম্যানুফেকাচরিং, খেলাধূলা এবং গণমাধ্যম-বিস্তৃত পরিসরে প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি অবদান রেখে যাচ্ছেন। তাঁর বহুমাত্রিক ও গতিশীল নেতৃত্ব আর অনন্য মেধায় জোরালো প্রবৃদ্ধি হচ্ছে এসব খাতে। বসুন্ধরার ব্যবসা দেশ ও মানুষের কল্যাণেই এগিয়ে যাচ্ছে। যা সীমাবদ্ধ নয় ধর্ম, বর্ণ বা আঞ্চলিক পরিচয়ে। মেধা ও দক্ষতার সুনিপণ সমন্বয়ে শিল্পখাতকে আর্টে পরিণত করেছেন সায়েম সোবহান। অসম্ভবকে করেছেন সম্ভব। তাঁর যোগ্য নেতৃত্ব আর উদ্ভাবনী কৌশলে যা একসময় ছিলো স্বপ্ন তাই এখন বাস্তবতা। দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে তিনি একজন সর্বসম্মানিত ও প্রশংসিত ব্যক্তিত্ব।

দেশের বৃহত্তম শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ সায়েম সোবহান আনভীরের নেতৃত্বে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে দেশ ও মানুষের কল্যাণে। এতে একদিকে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে যেমন ভূমিকা রাখছে, তেমনি বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানে বড় ভূমিকা পালন করছে। বসুন্ধরা গ্রুপ যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তাতে মনে হয় তারা আসলে দেশ ও জনগণের সেবাকে পণ হিসেবে গ্রহণ করেছে। দেশ সেরা এই প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসার মাধ্যমে শুধু মুনাফা তৈরিতে বিশ্বাস করে না, একই সাথে দেশ ও মানুষের সেবায় নিয়োজিত রয়েছে অবিরাম। বসুন্ধরা গ্রুপ শুধু অর্থের জন্য নয়, মানুষের ও দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকেই কাজ করে যাচ্ছে। বসুন্ধরা গ্রুপ তাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সারা দেশের হাজার হাজার মানুষকে চাকরি দিয়েছে। এতে বেকার সমস্যা সমাধানে বড় ভূমিকা পালন করছে। উৎপাদন খাত থেকে শুরু করে সেবা খাত এবং খেলাধুলা সব খানেই রয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের পদচারণা। তারা যেখানেই হাত দিয়েছে সেখানেই হয়েছে দেশ সেরা। আর এর পেছনে সবচেয়ে অগ্রগামী মানুষটি গ্রুপ চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর। ব্যক্তি থেকে প্রতিষ্ঠান সবাইকে দান করে যাচ্ছেন। তিনি শুধু অর্থ দিয়েই ক্ষান্ত নন, নিজের মূল্যবান সময় এবং সৃজনশীলতা বিনিয়োগ করছেন সমাজের টেকসই পরিবর্তনে। দেশের দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল গড়ে তুলেছে বসুন্ধরা। যার অন্যতম বসুন্ধরা-আদ-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং অ্যাডভোকেট আতামেয়া ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক, যেখানে দরিদ্র মানুষদের শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট দরিদ্র ও বয়স্ক মানুষদের চোখের চিকিৎসা দিচ্ছে ও বিনামূল্যে সার্জারি করছে। বসুন্ধরা টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট সুবিধাবঞ্চিত তরুনদের কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে। বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন অটিস্টিক শিশুদের শিক্ষা ও পুনর্বাসনে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও বিধবা নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে বসুন্ধরা পরিচালনা করছে সুদমুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ।