সোনাহাট স্থলবন্দরে ২ সপ্তাহ থেকে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দরে গত দুই সপ্তাহ ধরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ভারতের রপ্তানিকারকদের পক্ষ থেকে পাথরের দাম হঠাৎ বাড়িয়ে দেওয়ায় এ অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা। ফলে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
বন্দর ব্যবসায়ীদের দাবি, ভারতের আমদানি-রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীরা ইচ্ছাকৃতভাবে পাথরের দাম বৃদ্ধির কারণে (গত ১৩ নভেম্বর থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত) দীর্ঘ ১৪ দিন থেকে সোনাহাট স্থলবন্দরে পাথর আমদানি বন্ধ রেখেছেন। নতুন দামে পাথর আমদানি করলে তাদের লোকসান গুনতে হবে। পুরনো চুক্তির দাম ও নতুন দামের ব্যবধান বেশি হওয়ায় রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বন্দরটির সামগ্রিক বাণিজ্য কার্যক্রমে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, বাণিজ্য বন্ধ থাকায় রাজস্ব আদায়ও কমে গেছে। পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে রাজস্ব ঘাটতি আরো বাড়বে।
স্থলবন্দর সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দেশের ১৮তম স্থলবন্দর হিসেবে কার্যক্রম শুরু হয় সোনাহাট স্থলবন্দরের। ১৪ দশমিক ৬৮ একর জমিতে স্থাপিত বন্দরে ৬০০ মেট্রিক টনের ওয়্যারহাউস, প্রায় ২ লাখ বর্গফুটের পার্কিং ও স্টকইয়ার্ড, প্রশাসনিক ভবন ও শ্রমিক বিশ্রামাগার রয়েছে।


