শিরোনাম

South east bank ad

রফতানি খাত বৈচিত্র্যকরণে কাজ করছে সরকার

 প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   আমদানী/রপ্তানী

রফতানি খাত বৈচিত্র্যকরণে কাজ করছে সরকার

দেশের রফতানি খাত কেবল তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল না রেখে আরো বৈচিত্র্যময় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্পের মাধ্যমে বড় ধরনের সংস্কার ও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে।’

রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে গতকাল ‘রোল অব কমপিটিটিভনেস ফর জব প্রজেক্ট অন এক্সপোর্ট ডাইভারসিফিকেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য উপদেষ্টা এ কথা বলেন। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান।

সেমিনারে উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রফতানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এ এককনির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে। ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে নন-পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি অন্তত আড়াই গুণ বাড়ানো প্রয়োজন। এ লক্ষ্য পূরণে চামড়া, জুতা, প্লাস্টিক এবং হালকা প্রকৌশল খাতকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে চারটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযোগ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং পণ্য প্রোটোটাইপিংয়ের সুবিধা পাবেন।’

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লাইট ক্যাসেল পার্টনার্সের সিইও বিজন ইসলাম। এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের সিনিয়র ইকোনমিক অ্যাডভাইজার ওয়াইস প্যারি, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম মাসরুর রিয়াজ এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ফাইন্যান্স কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রকল্পের সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট হোসনা ফেরদৌস সুমি।

BBS cable ad