শিরোনাম

South east bank ad

শিল্পায়নের নিম্নমুখী প্রভাব, চাকরি হারিয়েছে ১৪ লাখ মানুষ : এ কে আজাদ

 প্রকাশ: ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   গার্মেন্টস/টেক্সটাইল

শিল্পায়নের নিম্নমুখী প্রভাব, চাকরি হারিয়েছে ১৪ লাখ মানুষ : এ কে আজাদ

হা-মীম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ দেশের অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, শিল্প খাতে মন্দার কারণে ইতিমধ্যে প্রায় ১৪ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছে এবং তারা এখন বেকার। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা বলেন।

তিনি জানান, প্রতিবছর দেশে অন্তত ৩০ লাখ মানুষ নতুন করে শ্রমবাজারে প্রবেশ করে।
কিন্তু শিল্প খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হওয়ায় এসব মানুষের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। ফলে দেশে বেকারত্বের হার দ্রুত বাড়ছে।

এ কে আজাদ বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী গত অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ২২ শতাংশ। তবে চলতি অর্থবছরে তা কমে ৩ দশমিক ৯৭ শতাংশে নেমে আসতে পারে।
তার মতে, প্রবৃদ্ধির এই নিম্নগতি অর্থনীতির ভেতরে বাড়তে থাকা চাপেরই প্রতিফলন।

তিনি আরো বলেন, শুধু সামষ্টিক অর্থনীতিই নয়, ব্যাংকিং খাতের অবস্থাও উদ্বেগজনক। বর্তমানে দেশে খেলাপি বা শ্রেণীকৃত ঋণের হার ২৪ শতাংশে পৌঁছেছে। যদিও বাস্তবে এই হার আরো বেশি বলে তিনি মনে করেন।
বেসরকারি খাতের পরিস্থিতি তুলে ধরে এ কে আজাদ জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির ফলে সুদের হার বেড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের ওপর। তিনি বলেন, ‘আমরা মাত্র ৬ শতাংশ হারে ঋণ পাচ্ছি, যা শিল্প খাতের জন্য যথেষ্ট নয়।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, দেশে শিল্পায়নের গতি মারাত্মকভাবে কমে গেছে। ব্যবসা ও বাণিজ্যের প্রয়োজনেই এখন আর নতুন শিল্প গড়ে উঠছে না।
গত বছর দেশে ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানি কমেছিল, আর চলতি বছর তা আগের বছরের তুলনায় আরো ২৬ শতাংশ কমেছে, যা শিল্প খাতের দুরবস্থার স্পষ্ট ইঙ্গিত।

BBS cable ad

গার্মেন্টস/টেক্সটাইল এর আরও খবর: