সংবাদ শিরোনাম
DSE

দর পতন ৬৪ শতাংশ কোম্পানির

l-shsher-bazar-

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে (সোমবার) বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক বিক্রয় চাপে কমেছে সূচক ও লেনদেন। এসময় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ৬৩.৭৭ শতাংশ কোম্পানি ও ফান্ডের দর কমেছে।

এদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ( সিএসই) সূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে। দিনশেষে সিএসইতে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ডিএসই ও সিএসইর বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৬২টির, দর কমেছে ২১৩টির এবং দর অপরিবর্তিত ছিল ৫৪টি প্রতিষ্ঠানের। এসময় ডিএসইতে ১২ কোটি ৮৮ লাখ ৩৩ হাজার ৫৬২টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

টাকার অংকে এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৬৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এর আগের কার্যদিবসে (রোববার) ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৪৮৫ কোটি টাকা।

দিনশেষে ডিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৫৭.৯১ পয়েন্ট কমে ৬২১০.৫০ পয়েন্টে স্থিতি পায়। এসময় ডিএস-৩০ সূচক ২১.৭৬ পয়েন্ট ও ডিএসইএস সূচক ৮.২৩ পয়েন্ট কমেছে।

লেনদেন শেষে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল। এসময় কোম্পানিটির ১৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। টার্নওভারে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল সিটি ব্যাংক, কোম্পানিটির ১৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৬ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্য দিয়ে টার্নওভারের তৃতীয় অবস্থানে ছিল ইফাদ অটোস।

এছাড়াও টার্নওভার তালিকায় ছিল- ব্র্যাক ব্যাংক, ন্যাশনাল টিউবস, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, ড্রাগন সোয়েটার, গ্রামীণফোন, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ও স্কয়ার ফার্মা।

এদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ২৩২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৫৩টির, দর কমেছে ১৪১টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ৩৮টি প্রতিষ্ঠানের। এসময় সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪০ কোটি টাকার।

লেনদেন শেষে সিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক সিএসইএক্স কমেছে ১০২.১০ পয়েন্ট। এসময় সিএসইতে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ইস্টার্ন ব্যাংক। কোম্পানিটির ৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।