ফরচুন সুজের ঋণমান ‘বিবিবি’
তালিকাভুক্ত ফরচুন সুজ লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবিবি’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৪’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ফরচুন সুজের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩১ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৩৯ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি।
আলোচ্য হিসাব বছরে ফরচুন সুজের ইপিএস হয়েছে ১১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৭০ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ফরচুন সুজের ইপিএস হয়েছে ৫০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৫৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ফরচুন সুজের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৫৬ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ফরচুন সুজের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৩০ পয়সায়।
২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফরচুন সুজের অনুমোদিত মূলধন ২৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৭০ কোটি ৬৬ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৭ কোটি ৬ লাখ ৬২ হাজার ২৬৩। এর ৩০ দশমিক ৯৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৬ দশমিক ৪৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫২ দশমিক ৫৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


