ইস্টার্ন ব্যাংকের ১১০ কোটি টাকার লেনদেন
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ ও ৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি।
ব্যাংক খাতের তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসির গত সপ্তাহে ১০৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে ব্যাংকটি। সপ্তাহ শেষে ইস্টার্ন ব্যাংকের শেয়ারের সর্বশেষ দর ছিল ২২ টাকা ৯০ পয়সা। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ ও ৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ইস্টার্ন ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ২৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৮৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৩৮ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের সাড়ে ১৭ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ১৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ইস্টার্ন ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৮৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৫১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৬৩ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। এর মধ্যে সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ১২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ২৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৫৭ পয়সা।
২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ইস্টার্ন ব্যাংক। এর মধ্যে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৭৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৪৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৩ টাকা ৩৩ পয়সায়।
১৯৯৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৬৪৩ কোটি ৬৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩ হাজার ৩৬৪ কোটি ৬৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬৪ কোটি ৩৬ লাখ ৮৭ হাজার ৭৮৯। এর ২৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৩ দশমিক ৫৯, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ১০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


