বেসরকারি খাতের কোম্পানির জন্য ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের বিধিনিষেধ প্রত্যাহার
বেসরকারি খাতের কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পক্ষ থেকেও এফআইডির কাছে অনুরোধ করা হয়েছিল।
বেশকিছু অনিয়মের কারণে ২০১০ সালে বেসরকারি খাতের কোম্পানিগুলোর জন্য ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। দেড় দশকেরও বেশি সময় পর গতকাল এ বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করেছে সরকার। গতকাল অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি) থেকে এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
বেসরকারি খাতের কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পক্ষ থেকেও এফআইডির কাছে অনুরোধ করা হয়েছিল। বিষয়টি উল্লেখ করে এফআইডির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে সরকারি ও বেসরকারি মালিকানধীন এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে স্টক এক্সচেঞ্জে সরাসরি তালিকাভুক্তির বিষয়ে এ বিভাগ কর্তৃক ২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জারি করা স্মারকের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলো।
গত ১ সেপ্টেম্বর বিএসইসির কমিশন সভায় ডাইরেক্ট লিস্টিং বিধিমালার খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। এফআইডি কর্তৃক বেসরকারি খাতের কোম্পানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের কারণে বিধিমালাটি চূড়ান্ত করার সময় বেসরকারি খাতের কোম্পানিগুলোর জন্য ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে তালিকাভুক্তি-সংক্রান্ত বিধান অন্তর্ভূক্ত করা হবে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।
বিএসইসির ডাইরেক্ট লিস্টিং-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত বিধিমালা অনুসারে সরকারের সম্পূর্ণ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানাধীন কোম্পানি পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্ত হতে পারবে। একই সঙ্গে কোনো কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের কমপক্ষে ১০ শতাংশ সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মালিকানাধীন হলে সেই কোম্পানিও এ সুযোগ পাবে।
এছাড়া বিদেশী শেয়ারহোল্ডারদের সম্পূর্ণ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানাধীন কোম্পানিও ডিরেক্ত লিস্টিংয়ের সুযোগ পাবে।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) অনুমোদিত কমপক্ষে ৩০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন রয়েছে এমন টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি-সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারী, তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো অথবা উৎপাদনকারী কোম্পানিও নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সরাসরি তালিকাভুক্ত হতে পারবে। পাশাপাশি কমপক্ষে তিন বছর কার্যক্রম পরিচালনাকারী তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা কোম্পানি এবং কমপক্ষে ৫০০ কোটি টাকা বার্ষিক টার্নওভার বা মোট সম্পদসম্পন্ন কোম্পানিও এ সুযোগ পাবে। তবে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের জন্য এসব কোম্পানিকে কমিশনে নিবন্ধিত স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিপোজিটরি ও কেন্দ্রীয় কাউন্টারপার্টি নির্ধারিত অন্যান্য শর্তও পূরণ করতে হবে।
বেশকিছু অনিয়মের কারণে ২০১০ সালে বেসরকারি খাতের কোম্পানিগুলোর জন্য ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। দেড় দশকেরও বেশি সময় পর গতকাল এ বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করেছে সরকার। গতকাল অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি) থেকে এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
বেসরকারি খাতের কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পক্ষ থেকেও এফআইডির কাছে অনুরোধ করা হয়েছিল। বিষয়টি উল্লেখ করে এফআইডির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে সরকারি ও বেসরকারি মালিকানধীন এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে স্টক এক্সচেঞ্জে সরাসরি তালিকাভুক্তির বিষয়ে এ বিভাগ কর্তৃক ২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জারি করা স্মারকের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলো।
গত ১ সেপ্টেম্বর বিএসইসির কমিশন সভায় ডাইরেক্ট লিস্টিং বিধিমালার খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। এফআইডি কর্তৃক বেসরকারি খাতের কোম্পানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের কারণে বিধিমালাটি চূড়ান্ত করার সময় বেসরকারি খাতের কোম্পানিগুলোর জন্য ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে তালিকাভুক্তি-সংক্রান্ত বিধান অন্তর্ভূক্ত করা হবে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।
বিএসইসির ডাইরেক্ট লিস্টিং-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত বিধিমালা অনুসারে সরকারের সম্পূর্ণ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানাধীন কোম্পানি পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্ত হতে পারবে। একই সঙ্গে কোনো কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের কমপক্ষে ১০ শতাংশ সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মালিকানাধীন হলে সেই কোম্পানিও এ সুযোগ পাবে।
এছাড়া বিদেশী শেয়ারহোল্ডারদের সম্পূর্ণ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানাধীন কোম্পানিও ডিরেক্ত লিস্টিংয়ের সুযোগ পাবে।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) অনুমোদিত কমপক্ষে ৩০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন রয়েছে এমন টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি-সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারী, তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো অথবা উৎপাদনকারী কোম্পানিও নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সরাসরি তালিকাভুক্ত হতে পারবে। পাশাপাশি কমপক্ষে তিন বছর কার্যক্রম পরিচালনাকারী তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা কোম্পানি এবং কমপক্ষে ৫০০ কোটি টাকা বার্ষিক টার্নওভার বা মোট সম্পদসম্পন্ন কোম্পানিও এ সুযোগ পাবে। তবে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের জন্য এসব কোম্পানিকে কমিশনে নিবন্ধিত স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিপোজিটরি ও কেন্দ্রীয় কাউন্টারপার্টি নির্ধারিত অন্যান্য শর্তও পূরণ করতে হবে।


