শিরোনাম

South east bank ad

ইউরোপে পোশাক রপ্তানি আয় কমেছে ১.৫৮ বিলিয়ন ইউরো

 প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   গার্মেন্টস/টেক্সটাইল

ইউরোপে পোশাক রপ্তানি আয় কমেছে ১.৫৮ বিলিয়ন ইউরো

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানি আয় বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি থেকে আগস্ট) ইইউ অঞ্চলে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় কমেছে ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
টাকার অঙ্কে এই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ইউরো। বাজারে অর্ডারের ঘাটতির চেয়ে পণ্যের উপযুক্ত দাম না পাওয়াই এই ধসের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউরোপিয়ান পরিসংখ্যান সংস্থা ‘ইউরোস্ট্যাট’-এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

ইউরোস্ট্যাটের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নে মোট ৬০ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ইউরোর পোশাক আমদানি করা হয়েছে, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের ৬২ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ইউরোর তুলনায় ৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ কম।
এ সময়ে আমদানি করা পোশাকের ওজন কমেছে ২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। পাশাপাশি প্রতি কেজি পোশাকের গড় আমদানি মূল্য ১ দশমিক ২৯ শতাংশ কমে ১৯ দশমিক ৯১ ইউরো থেকে ১৯ দশমিক ৬৫ ইউরো হয়েছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে রপ্তানির পরিমাণ কমেছে ৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ। তবে রপ্তানির মূল্য কমার ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলেছে পোশাকের একক মূল্য হ্রাস।
প্রতি কেজি পোশাকের গড় রপ্তানি মূল্য ১৪ দশমিক ৮৭ ইউরো থেকে ১৩ দশমিক ৭৬ ইউরোতে নেমেছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে শুধু পরিমাণগত হ্রাস নয়, বরং প্রতি কেজি পোশাকের কম মূল্যও রপ্তানি আয় কমার অন্যতম প্রধান কারণ। রপ্তানির পরিমাণ তুলনামূলক কম হারে কমলেও একক মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে আগস্ট মাসের চিত্র কিছুটা ভিন্ন।

২০২৫ সালের আগস্টের তুলনায় ২০২৬ সালের আগস্টে ইইউতে পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৭২ শতাংশ।

BBS cable ad

গার্মেন্টস/টেক্সটাইল এর আরও খবর: