শিরোনাম

South east bank ad

জুলাই-আগস্টে ৯১৫.৬৯ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি

 প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   এনবিআর

জুলাই-আগস্টে ৯১৫.৬৯ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি

আগস্টে রফতানির পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। মাসটিতে ৪৪৩ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে, যা গত বছরের একই মাসে ছিল ৩৯২ কোটি ডলার। এক বছরের ব্যবধানে আগস্টে রফতানি বেড়েছে ১৩ দশমিক ১৪ শতাংশ।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বাংলাদেশ থেকে ৯১৫ কোটি ৬৯ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে পণ্য রফতানি হয়েছিল ৮৬৯ কোটি ডলারের। সে হিসাবে জুলাই-আগস্ট সময়ে দেশের পণ্য রফতানি বেড়েছে ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ। গতকাল জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যের ওপর ভিত্তি করে দুই মাসের রফতানি প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে ইপিবি।

আগস্টে রফতানির পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। মাসটিতে ৪৪৩ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে, যা গত বছরের একই মাসে ছিল ৩৯২ কোটি ডলার। এক বছরের ব্যবধানে আগস্টে রফতানি বেড়েছে ১৩ দশমিক ১৪ শতাংশ।

আগস্টে রফতানি প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি ছিল তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত। মাসটিতে এ খাত থেকে ৩৮৯ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ প্রবৃদ্ধি ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ। জুলাই-আগস্ট সময়ে আরএমজি রফতানি বেড়েছে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ। এ সময়ে খাতটির মোট রফতানি দাঁড়িয়েছে ৭৫০ কোটি ডলারে।

পোশাকের দুই প্রধান উপখাতেই আগস্টে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। মাসটিতে নিটওয়্যার রফতানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। ওভেন পোশাকের রফতানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৭০ শতাংশ। জুলাই-আগস্ট সময়ে নিটওয়্যার ও ওভেন পোশাকের রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে যথাক্রমে ৬ দশমিক ১৭ ও ৩ দশমিক ৮১ শতাংশ।

পোশাকের পাশাপাশি অন্যান্য কয়েকটি পণ্যেও আগস্টে উল্লেখযোগ্য রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ সময়ে পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানি বেড়েছে ৩৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। ওষুধে ২৮ দশমিক ৫২ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ২৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ, মুদ্রিত সামগ্রীতে ২৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ, প্রকৌশল পণ্যে ২৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং অন্যান্য জুতায় ১৫ দশমিক ২৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

জুলাই-আগস্টের সামগ্রিক হিসাবেও এসব পণ্যের কয়েকটিতে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি হয়েছে। দুই মাসে মুদ্রিত সামগ্রীর রফতানি বেড়েছে ৪১ দশমিক ৮৯ শতাংশ। ওষুধে ৩৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ, অন্যান্য জুতায় ২৭ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং পাট ও পাটজাত পণ্যে ২২ দশমিক ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

বাজারভিত্তিক রফতানিতেও আগস্টে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রফতানি বাজার যুক্তরাষ্ট্রে আগস্টে রফতানি বেড়েছে ২৬ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। জুলাই-আগস্ট সময়ে দেশটিতে রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১ দশমিক ৯০ শতাংশ।

দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি বাজার হিসেবে যুক্তরাজ্য আবারো অবস্থান নিয়েছে। এরপর রয়েছে জার্মানি, স্পেন ও নেদারল্যান্ডস। উদীয়মান বাজারগুলোর মধ্যে আগস্টে তুরস্কে রফতানি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে, ১৪১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ায় ৪২ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং সৌদি আরবে ৪২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

রফতানি প্রবৃদ্ধির পেছনে প্রধান বাজারগুলোয় চাহিদা বৃদ্ধি, বাংলাদেশের ওপর ক্রেতাদের আস্থা, উৎপাদন সক্ষমতা সম্প্রসারণ এবং উচ্চ মূল্য সংযোজিত পণ্যের রফতানি বৃদ্ধির ভূমিকা রয়েছে। পাশাপাশি পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণের প্রচেষ্টাও রফতানি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।

BBS cable ad

এনবিআর এর আরও খবর: