রানার অটোমোবাইলসের ঋণমান ‘এ ওয়ান’
তালিকাভুক্ত রানার অটোমোবাইলস পিএলসির সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এ ওয়ান’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি থ্রি’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রানার অটোমোবাইলসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৭২ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬৭ টাকা ৮ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে রানার অটোমোবাইলসের ইপিএস হয়েছে ৯০ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৫৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ৭০ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১১ ও উদ্যোক্তা পরিচালকদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে রানার অটোমোবাইলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৭৫ পয়সা।
৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ৪৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি রানার অটোমোবাইলস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৭৫ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ২ টাকা ৪০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬২ টাকা ৬২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে রানার অটোমোবাইলস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৭০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ৫০ পয়সায়।
২০১৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রানার অটোমোবাইলসের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৩৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৩৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৩২। এর ৫০ দশমিক ৪৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৬ দশমিক ৪২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে বাকি ২৩ দশমিক ১০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


