ঢাকায় ১৭তম এশিয়া ফার্মা এক্সপোয় অংশ নেবে ২০ দেশের চার শতাধিক প্রতিষ্ঠান
ঢাকায় শুরু হতে যাচ্ছে ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের অন্যতম আন্তর্জাতিক আয়োজন ১৭তম এশিয়া ফার্মা এক্সপো ২০২৬।
আগামী ২৯-৩১ মার্চ পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে। একই সঙ্গে আয়োজন করা হচ্ছে এশিয়া ল্যাব এক্সপো ২০২৬। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের (বিএপিআই) আয়োজনে এ প্রদর্শনীতে এবার ২০টির বেশি দেশের চার শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এতে ফার্মাসিউটিক্যাল প্রসেসিং ও প্যাকেজিং প্রযুক্তি, এপিআই ও এক্সিপিয়েন্টস, অ্যানালিটিক্যাল ও ল্যাবরেটরি যন্ত্রপাতি, ক্লিনরুম ও এইচভিএসি সিস্টেম, পানি ব্যবস্থাপনা এবং টার্নকি প্রজেক্ট সেবাসহ বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তি তুলে ধরা হবে।
২৯ মার্চ সকাল ১০টায় উদ্বোধনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে এ আয়োজনের। এতে শিল্প খাতের নেতারা, ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের শীর্ষ প্রতিনিধিরা, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক অতিথিরা অংশ নেবেন। উদ্বোধনের পর তিন দিন বাণিজ্যিক দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে প্রদর্শনী।
আয়োজকরা বলছেন, এটি হবে সোর্সিং, নেটওয়ার্কিং, প্রযুক্তি মূল্যায়ন ও ব্যবসা সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম। ২০২৫ সালের আসরে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ বাণিজ্যিক দর্শনার্থীর অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতায় এবারের আয়োজন আরো বড় পরিসরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বিটুবি প্লাটফর্ম হিসেবে এশিয়া ফার্মা এক্সপো বৈশ্বিক সরবরাহকারী, উৎপাদক, বিনিয়োগকারী ও প্রকল্প উন্নয়নকারীদের সরাসরি সংযোগ স্থাপনের সুযোগ তৈরি করে আসছে। ২০০৩ সাল থেকে এটি ফার্মাসিউটিক্যাল উৎপাদন সরবরাহ চেইনের পূর্ণাঙ্গ কাভারেজসহ অঞ্চলের একটি বিশেষায়িত আয়োজন হিসেবে পরিচিত।
এদিকে দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাতও দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে দেশের মোট ওষুধ চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ দেশীয়ভাবে পূরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও কানাডাসহ ১৫৭টি দেশে ওষুধ রফতানি হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এ খাতের বাজারমূল্য এরই মধ্যে ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা ২০২৬ সালের মধ্যে ৬ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করতে পারে। বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ধরা হচ্ছে ১৫-১৮ শতাংশ।


