শিরোনাম

South east bank ad

উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে নীতিগত সংস্কার ও কার্যকর কৌশলের তাগিদ

 প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   কর্পোরেট

উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে নীতিগত সংস্কার ও কার্যকর কৌশলের তাগিদ

দেশের উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে নীতিগত সংস্কার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা এবং কার্যকর বাণিজ্যিক কৌশল গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও বেসরকারি খাতসংশ্লিষ্টরা।

তাদের মতে, বাংলাদেশকে এসব ক্ষেত্রে উন্নয়নে কয়েকটি পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা ও সক্ষমতার উন্নয়ন, শিল্প ও শিক্ষার মধ্যে কার্যকর সংযোগ, আঞ্চলিক ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন এবং কর্মদক্ষতাভিত্তিক নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং আরো শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে প্রয়োজন কার্যকর বাণিজ্যিক কৌশল। তবেই অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি শক্তিশালী অর্থনৈতিক পুনর্গঠন সম্ভব হবে।

রাজধানীতে গতকাল ‘‌বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স ২০২৬’ শীর্ষক সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন। গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইটিকস (দায়রা) ‘বাংলাদেশ ও পরিবর্তনশীল বিশ্ব: অজানা সময়, উদীয়মান বিশ্বব্যবস্থা এবং সহমর্মিতার রাজনীতি’ প্রতিপাদ্যে এ সম্মেলনের আয়োজন করে। দেশ-বিদেশের নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও কূটনীতিকরা এতে অংশ নেন।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে ‘ইকোনমিক প্ল্যান, রেভিনিউ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট’ শীর্ষক একটি ফায়ারসাইড আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন সোয়াস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মুশতাক খান। আলোচনায় অংশ নেন অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

অধ্যাপক মুশতাক খান কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাকে বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং অর্থনৈতিক সংস্কারে গুরুত্ব দেন। এ সময় রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘বর্তমান সরকার একটি নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে এবং উৎপাদনমুখী বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও করের হার বৃদ্ধি না করে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে একটি নতুন উন্নয়ন কৌশল বাস্তবায়নে কাজ করছে। আমাদের এখন লক্ষ্য দারিদ্র্য হ্রাস, দক্ষতা ও উদ্ভাবনভিত্তিক শিক্ষা সংস্কার এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার করা। এ নিয়ে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

আলোচনায় মুশতাক খান সুশাসন নিশ্চিত না হলে কর প্রণোদনা ও বিভিন্ন সুবিধা কীভাবে কাঙ্ক্ষিত উৎপাদনশীলতা অর্জন করবে এমন প্রশ্ন তোলেন। জবাবে ড. তিতুমীর জানান, সরকার কর প্রশাসন ও তদারকি ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছে। বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

এর আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মুশতাক খান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘সমগ্র বিশ্ব অর্থনীতিই আজ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশকেও কর্মসংস্থান তৈরি এবং জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির মতো সংকটের মোকাবেলা করতে হচ্ছে।’

BBS cable ad

কর্পোরেট এর আরও খবর: