শিরোনাম

South east bank ad

পুঁজিবাজা‌রে সূচক কমেছে প্রায় ১ শতাংশ

 প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   শেয়ার বাজার

পুঁজিবাজা‌রে সূচক কমেছে প্রায় ১ শতাংশ

দেশের পুঁজিবাজারে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে গতকাল সূচকে নিম্নমুখিতা দেখা গেছে।

এদিন দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক দশমিক ৮৩ শতাংশ কমেছে। সূচক কমলেও এদিন এক্সচেঞ্জটির দৈনিক লেনদেন কিছুটা বেড়েছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল লেনদেনের শুরুর প্রথম ২ মিনিট ঊর্ধ্বমুখী ছিল সূচক। এরপর শেয়ার বিক্রির চাপে ধীরে ধীরে সূচক পয়েন্ট হারাতে থাকে। দিন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৪৪ দশমিক ১৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৭২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৫ হাজার ৩১৬ পয়েন্ট। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ দিনের ব্যবধানে ২১ দশমিক ৩২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৯৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ২ হাজার ২০ পয়েন্ট। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস এদিন ৭ দশমিক ৫৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১ হাজার ৭৪ পয়েন্ট।

গতকাল সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে ইসলামী ব্যাংক, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, সিটি ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ও ইস্টার্ন ব্যাংকের শেয়ার।

ডিএসইতে গতকাল ৬৪৬ কোটি ৪২ লাখ ৩৮ হাজার টাকার সিকিউরিটিজ হাতবদল হয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৬০৩ কোটি ৮১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। সে হিসাবে একদিনের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ৭ শতাংশের বেশি। গতকাল এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ৩৯৪টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১১৪টির, কমেছে ২৫০টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ৩০টির।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান অব্যাহত থাকায় লেনদেনজুড়ে বিক্রয়চাপ প্রাধান্য পেয়েছে। সূচকের প্রাথমিক পতনের পর আংশিক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা দেখা গেলেও সেশনজুড়ে নিম্নমুখী প্রবণতাই প্রধান ছিল। অধিকাংশ শেয়ার দরপতনের মধ্যেই লেনদেন শেষ হয়েছে। ফলে বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। ১২ দশমিক ৯ শতাংশ দখলে নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রকৌশল খাত। ব্যাংক খাত ৯ দশমিক ৯ শতাংশ লেনদেন নিয়ে তালিকার তৃতীয় অবস্থানে ছিল। ৮ দশমিক ৮ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তালিকার চতুর্থ স্থানে ছিল খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাত। আর পঞ্চম অবস্থানে থাকা বস্ত্র খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৭ দশমিক ৯ শতাংশ।

গতকাল ডিএসইতে অধিকাংশ খাতের শেয়ারে নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১ দশমিক ৯ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে। এছাড়া ব্যাংক খাতে ১ দশমিক ৪ ও সিমেন্ট খাতে ১ দশমিক ৩ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন ছিল। অন্যদিকে ডিএসইতে গতকাল সবচেয়ে বেশি ১ দশমিক ২ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে কাগজ ও মুদ্রণ খাতে। এছাড়া সিরামিক খাতে দশমিক ৭ ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতে দশমিক ৫ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন ছিল।

দেশের আরেক পুঁজিবাজার চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) নির্বাচিত সূচক সিএসসিএক্স গতকাল ৭২ দশমিক ৭৯ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ২৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইর সব শেয়ারের সূচক সিএএসপিআই এদিন ১১২ দশমিক ৮১ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৮০২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ১৯৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৮২টির, কমেছে ৯৮টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ১৯টির।

BBS cable ad