ব্রোকার হাউজকে রিয়েল টাইম মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে
ট্রেকহোল্ডার প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাক অফিস ব্যবস্থাপনা, ব্যাংক ও সিসি অ্যাকাউন্টে থাকা বিনিয়োগকারীদের অর্থের অবস্থান নিয়মিত পর্যবেক্ষণের আওতায় আনার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।
ব্রোকারেজ হাউজের অনিয়মের কারণে বিনিয়োগকারীদের অর্থ ঝুঁকিতে পড়া ঠেকাতে এবার রিয়েল টাইম নজরদারির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ট্রেকহোল্ডার প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাক অফিস ব্যবস্থাপনা, ব্যাংক ও সিসি অ্যাকাউন্টে থাকা বিনিয়োগকারীদের অর্থের অবস্থান নিয়মিত পর্যবেক্ষণের আওতায় আনার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি। গতকাল মশিহুর সিকিউরিটিজের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের চেক প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির কমিশনার মো. নাফিজ আল তারিক ও হোসাইন সাদাত, ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, আইপিএফ ফান্ডের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নাসরীন বেগম, ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার, ডিবিএর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও ডিএসইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান বলেন, ‘আজকের দিনটি ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও স্বস্তির দিন। দীর্ঘদিন ধরে যে সমস্যার কারণে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন, তা সমাধানের প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। আজকের এ অর্থ পরিশোধ সেই প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা। একই সঙ্গে আমি আশা করি, পর্যায়ক্রমে সব যাচাইকৃত বিনিয়োগকারীর প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ করা সম্ভব হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ভবিষ্যতে যাতে আর না ঘটে, সেজন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। এ লক্ষ্যে ট্রেকহোল্ডার প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাক-অফিস ব্যবস্থাপনাকে আরো শক্তিশালী, সুরক্ষিত ও রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও সিসি অ্যাকাউন্টে বিনিয়োগকারীদের অর্থের অবস্থান নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার যুগে এ ধরনের শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির কোনো বিকল্প নেই।’


