দরবৃদ্ধির শীর্ষে ন্যাশনাল ব্যাংক
সপ্তাহ শেষে ব্যাংকটির দর দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৩০ পয়সায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৪ টাকা ১০ পয়সা। এতে ব্যাংকটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে। ডিএসইর সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ন্যাশনাল ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৫০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৪ টাকা ১৫ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৩৮ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৬৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ১৫ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১০ টাকা ১৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৩০ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১০ টাকা ১৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১২ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকায়।
ন্যাশনাল ব্যাংকের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবিবি’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
১৯৮৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৫ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩ হাজার ২১৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ২ হাজার ৮৫১ কোটি ৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩২১ কোটি ৯৭ লাখ ৩৯ হাজার ৫৭০। এর ১৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৮ দশমিক ৩৪, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৪৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


