শিরোনাম

South east bank ad

ঋণ বৈষম্যই আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রধান বাধা : কৃষি ব্যাংক চেয়ারম্যান

 প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   ব্যাংক

ঋণ বৈষম্যই আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রধান বাধা : কৃষি ব্যাংক চেয়ারম্যান

জালিয়াতি ও প্রতারণা এড়াতে অবিলম্বে একটি ন্যাশনাল কোল্যাটারাল রেজিস্ট্রি (জাতীয় বন্ধকী নিবন্ধন সংস্থা) এবং ফ্লোটিং অ্যাসেটের (চলমান সম্পদ) বিপরীতে অর্থায়নের ব্যবস্থা চালুর জোরালো দাবি জানান তিনি।

দেশের প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় এখনো তীব্র ঋণ বৈষম্য বিদ্যমান রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন। তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ৮০ শতাংশের বেশি ঋণ সুবিধা পাচ্ছে বৃহৎ কর্পোরেট খাত, অথচ ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের উদ্যোক্তারা প্রয়োজনীয় অর্থায়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

আজ সোমবার মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অ্যা রাউন্ডটেবিল অন অ্যাকসেস টু ফাইন্যান্স ইন বাংলাদেশ: বিল্ডিং অ্যা মোর কন্ডুসিভ ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেম ফর প্রাইভেট সেক্টর শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

মোহাম্মদ নুরুল আমিন আরো বলেন, বৈষম্যের অন্যতম বড় কারণ হলো প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সরাসরি প্রবেশের সুযোগের অভাব। অনেক সময় পোশাক বা সামাজিক অবস্থানের কারণে এসি করা ব্যাংকে ঢুকতে মানুষ ইতস্তত বোধ করেন। কেবল ঋণের ক্ষেত্রেই নয়, আমানতকারীদেরও তাদের অর্থ সঠিক ও লাভজনক উপায়ে কোথায় বিনিয়োগ করবেন সে বিষয়ে সঠিক দিকনির্দেশনা ও ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসির অভাব রয়েছে।

প্রান্তিক পর্যায়, যেমন—ভাসমান দোকানদার, সবজি বিক্রেতা, ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক, সোশ্যাল মিডিয়া ভিত্তিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর কিংবা ই-লার্নিং পরিচালনাকারীদের ব্যাংকিং আওতায় আনতে জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যবহারকে আরো বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বিদেশের সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড বা থাইল্যান্ডের উদাহরণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এনআইডিকে এমন একটি শক্তিশালী নথিতে রূপান্তর করা উচিত যা দিয়ে একজন মানুষের স্থায়ী ঠিকানা, স্থাবর সম্পদ বা ব্যবসার আইডেন্টিটি নিশ্চিত করে সহজেই লোন বা ফাইনান্সিং দেয়া সম্ভব হয়।

ব্যবসায়িক জটিলতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে স্বল্পমেয়াদি (যেমন এক বছরের) ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে উদ্যোক্তাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, লাইসেন্স হাতে পেতেই ৯ মাস চলে যায়, যার মেয়াদ থাকে মাত্র ৩ মাস। সরকারের ট্যাক্স পলিসির মতো ট্রেড লাইসেন্স বা ব্যবসার সনদগুলো দীর্ঘমেয়াদি (৩ থেকে ৫ বছর) করার আহ্বান জানান তিনি।

BBS cable ad

ব্যাংক এর আরও খবর: