এনসিসি ব্যাংক উদ্যোক্তার শেয়ার বিক্রির ঘোষণা
এনসিসি ব্যাংক পিএলসির উদ্যোক্তা রাজিয়া হোসেন ব্যাংকটির ৩০ হাজার শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন।
বিদ্যমান বাজারদরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পাবলিক মার্কেটের মাধ্যমে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এ শেয়ার বিক্রি করবেন তিনি।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২১ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এনসিসি ব্যাংকের পর্ষদ। এর মধ্যে ১৭ শতাংশ নগদ ও ৪ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯৪ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ২০ পয়সায়। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ২৪ জুন ডিজিটাল প্লাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ মে।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এনসিসি ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩৭ পয়সায়।
এনসিসি ব্যাংকের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ওয়ান’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইসিএল)।
২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এনসিসি ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১১০ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৩৭৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১১ কোটি ৪ লাখ ২৩ হাজার ৯৬। এর ৪১ দশমিক ৮৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৬ দশমিক ৯১, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩১ দশমিক ৫১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


