একমি পেস্টিসাইডসের ৩৬ কোটি টাকার লেনদেন
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেডের ৪ আগস্ট ৩৬ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
দিন শেষে শেয়ারটির সমাপনী দর ২৬ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ২৪ টাকা ৪০ পয়সা। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ১ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৪১ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৯৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৫৮ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের ইপিএস হয়েছে ৯৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৩৫ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৯৯ পয়সায়।
২০২১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একমি পেস্টিসাইডসের অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৩৫ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩ কোটি ৫০ লাখ। এর ৩১ দশমিক ৮০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ৮০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৯ দশমিক ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
দিন শেষে শেয়ারটির সমাপনী দর ২৬ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ২৪ টাকা ৪০ পয়সা। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ১ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৪১ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৯৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৫৮ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের ইপিএস হয়েছে ৯৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৩৫ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৯৯ পয়সায়।
২০২১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একমি পেস্টিসাইডসের অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৩৫ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩ কোটি ৫০ লাখ। এর ৩১ দশমিক ৮০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ৮০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৯ দশমিক ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


