সরকারের ওপর জ্বালানি ভর্তুকির বিশাল বোঝা
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কয়েক মাস ধরেই জ্বালানি আমদানিতে ক্ষতির মধ্যে আছে সরকার। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানান, চলতি বছরে জ্বালানি তেলের জন্য ভর্তুকি চেয়ে এরই মধ্যে সরকারের জ্বালানি বিভাগের কাছে পাঁচবার চিঠি পাঠানো হয়েছে।
সে চিঠিতে জুনের ২৩ তারিখ পর্যন্ত চার মাসে প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকিও চাওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও বিপিসির সঙ্গে বৈঠকও করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
সরকার যখন বিশাল পরিমাণ এই ভর্তুকির চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে নতুন করে বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নতুন করে এ বাড়তি মূল্যের চাপ সামাল দিতে সরকার যদি ভর্তুকি না দেয়, তখন দেশের বাজারে আবারও জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাবে।
আর এমন হলে মূল্যস্ফীতিও বাড়বে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গতকাল বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে তেল পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য ২ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ছাড়িয়েছে ৯০ ডলারের বেশি।
সেপ্টেম্বরে সরবরাহকৃত তেলের মূল্য চুক্তি অনুসারে ২ দশমিক শূন্য ৯ ডলার বা ২ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ দশমিক ১৯ ডলারে।
সে চিঠিতে জুনের ২৩ তারিখ পর্যন্ত চার মাসে প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকিও চাওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও বিপিসির সঙ্গে বৈঠকও করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
সরকার যখন বিশাল পরিমাণ এই ভর্তুকির চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে নতুন করে বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নতুন করে এ বাড়তি মূল্যের চাপ সামাল দিতে সরকার যদি ভর্তুকি না দেয়, তখন দেশের বাজারে আবারও জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাবে।
আর এমন হলে মূল্যস্ফীতিও বাড়বে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গতকাল বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে তেল পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য ২ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ছাড়িয়েছে ৯০ ডলারের বেশি।
সেপ্টেম্বরে সরবরাহকৃত তেলের মূল্য চুক্তি অনুসারে ২ দশমিক শূন্য ৯ ডলার বা ২ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ দশমিক ১৯ ডলারে।


