শিরোনাম

South east bank ad

একনেকে ২ হাজার ২৬৬ কোটি টাকার আট প্রকল্প অনুমোদন

 প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   মন্ত্রনালয়

একনেকে ২ হাজার ২৬৬ কোটি টাকার আট প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ২ হাজার ২৬৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়সংবলিত আটটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে।

এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে আসবে ২ হাজার ২২৯ কোটি ১৩ লাখ এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩৭ কোটি ২৮ লাখ টাকা। গতকাল সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে এসব প্রকল্প অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভায় মোট ৮ হাজার ১০৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। তবে যাচাই-বাছাই শেষে আটটি প্রকল্পের অনুমোদন হয়। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প তিনটি ও সংশোধিত প্রকল্প তিনটি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি প্রকল্প দুটি।

অনুমোদিত প্রকল্প হলো ২৮২ কোটি টাকার বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্প। ১ হাজার ১৮৩ কোটি টাকার ‘আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক (কালাবিবির দিঘী থেকে ঈদমনি) যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ প্রকল্প। ৮০ কোটি টাকার বাংলাদেশের ৩৩টি জেলায় সার্কিট হাউজ এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ঠাকুরগাঁওয়ে লিফট সংযোজন’ প্রকল্প। প্রকল্পটি চতুর্থবার ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ প্রকল্প-২’ অনুমোদন পেয়েছে। নতুন প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪৪ কোটি টাকা। এছাড়া একনেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘ঢাকা সিএমএইচে ক্যান্সার সেন্টার নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়) (প্রথম সংশোধন)’ প্রকল্পে ১৬৫ কোটি, মাদরাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট (তৃতীয় সংশোধন) প্রকল্পে ২০ কোটি এবং দেশের ৬৫৩টি মাদরাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন (তৃতীয় সংশোধিত) প্রকল্পে চতুর্থবার মেয়াদ বাড়ানো হয়। অন্যদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের ক্ষমতাবর্ধন (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পে ২৬৯ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

আলোচ্যসূচিতে ৪ হাজার ১৮৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ‘সাপোর্টিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রজেক্ট ফর চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড)’ শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদনের কথা থাকলে প্রধানমন্ত্রী আরো যাচাই-বাছাই করতে বলেছেন।

পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বণিক বার্তাকে বলেন, ‘প্রকল্পটি নিয়ে কিছু প্রশ্ন থাকায় প্রধানমন্ত্রী সেভাবে গুরুত্ব দেয়নি। যাচাই-বাছাই করে পরের কোনো মিটিংয়ে সেটি তোলা হতে পারে।’

এদিকে একনেকে ১ হাজার ৪০৯ কোটি টাকার ‘সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ’, ২১৫ কোটি টাকার ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অনুমোদন দেয়নি। তবে এর মধ্যে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন ভবন নির্মাণে কনসালট্যান্সি ব্যয় কমাতে বলা হয়েছে। সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণে ভবন একটু উঁচু করতে বলা হয়েছে। এবং এসির সংযোজন রাখতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা সচিব শাকিল আক্তার বলেন, ‘প্রকল্প দুটি শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। একনেকের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশোধন করে পাঠালে প্রকল্প দুটি অনুমোদন হয়ে যাবে। আর একনেকে উপস্থাপন করা লাগবে না।’

এছাড়া খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পটির ২৬ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব থাকলেও তা অনুমোদন দেয়া হয়নি। প্রকল্পটি সভায় উপস্থাপন করা হলে বারবার মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ কারণে প্রকল্পটি অনুমোদন না দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়। বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানোর প্রবণতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। প্রকল্পের মেয়াদ কেন বারবার বাড়ানো হচ্ছে, এর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার কথা বলেন তিনি।

একনেক সভায় আটটি প্রকল্প অনুমোদন ছাড়াও এরই মধ্যে পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়সংবলিত ছয়টি প্রকল্প সম্পর্কে অবহিত করা হয়। একনেক সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ এবং পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের; ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু; শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন; পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো

BBS cable ad

মন্ত্রনালয় এর আরও খবর: