সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে ইজারাদার হান্নানের সাংবাদিক সম্মেলন

খন্দকার রবিউল ইসলাম (রাজবাড়ী):
রাজবাড়ী পৌরসভা চত্ত্বরে সন্ত্রাসী হামলার বিচার ও অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে হাটইজারাদার হান্নান মিয়া। ২২এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় হাটইজারাদার হান্নান মিয়ার নিজ বাসভবনে এ সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সাংবাদিক সম্মেলনে হান্নান বলেন গত ১৪ তারিখে রাজবাড়ী পৌরসভা চত্বরে আমার উপর সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে আমি মারাত্মক ভাবে জখম হই। ওরা আমাকে হত্যার করার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালিয়েছিল কিন্তু আল্লাহর রহমতে আমি বেঁেচ আছি। তিনি আরো বলেন, আমি রাজবাড়ী সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছি। আমার উপর হামলাকারী সন্ত্রাসীরা যেন শাস্তি পায় আর আমার মত আর কাউকে যেন এমন ঘটনার শিকার হতে না হয়। আমার উপর হামলাকারী ১আব্দুলাহ,২ আজিম,৩ইদ্দ্রিস ৪মঈন সহ সকল অপরাধী যেন শাস্তি পায় আপনারা সাংবাদিকরা সবাই সত্যটা লিখবেন আশা করি। আজিম আমার ছোট ভাই মনিরের হত্যাকারী আমার ভাইকে আজিম সহ কয়েকজন ১৪বছর আগে হত্যা করেছিল। তবে এঘটনায় মেয়র তিতু ভাইর এর কোন দোষ নেই তিনি রাজনীতি করেন, আর রাজনীতি করতে গেলে পোলাপান লাগে। আমি বলছি না তিতু ভাই সন্ত্রাসী পোষে। তিতু ভাই আজিমকে প্রশ্ন করছিল তুইকি ছিলি আজিম নাকি বলছে সে ঠেকাইছে। তবে সে যদি ঠেকাবে তাহলে আমার গলায় মুখে খামচির দাগ থাকতো না। আপনারা ভিডিও ফুটেজ দেখলে বুঝতে পারবেন এই আজিমের কারনে আমি আরো ১০টি কোপ বেসি খাইছি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, হান্নানের সহধর্মীনি মোছাঃ শানু খাতুন।
উল্লেখ্য গত ১৪ এপ্রিল শনিবার বেলা ২টার দিকে রাজবাড়ী পৌরসভা চত্বরে রাজবাড়ীর হাটের ইজারাদার ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল হান্নান (৩৯) কে কুপিয়ে জখম করেছিল দুর্বৃত্তরা। তাকে প্রথমে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতী হলে তাকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।পরে ফরিদপুর থেকে বিকালে রাজধানী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার ৪ঘন্টা সময় লাগে অপারেশন করতে।
হান্নানের অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে আজিম বলেন, হান্নানের সাথে আমার কোন ঝামেলা নেই। আমি পৌরসভায় একটা কাজে গিয়েছিলাম ঐ মুহুর্তে দেখি পৌরসভার মধ্যে মারামারি হচ্ছে। তখন আমি হান্নানকে বাচানোর জন্য ধাক্কাদিয়ে ছিলাম। যদি আমি ধাক্কা না দিতাম তাহলে হান্নানের মাথা আলাদা হয়ে যেত। ঐ সময় আমার হাতেও আঘাত লেগে ছিল। আমি তাকে বাচানোর জন্য চেষ্টা করলাম সে উল্টা আমার নামেই মামলা দিলো। আর কে কেমন রাজবাড়ীর মানুষ তো সবাই জানে।