জিলবাংলা সুগার মিলসের লেনদেন স্থগিত
সম্প্রতি খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি জিলবাংলা সুগার মিলস লিমিটেডের শেয়ারদর ও লেনদেন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় শেয়ার লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।
গতকাল সকালে দিনের অবশিষ্ট সময়ের জন্য শেয়ারটির লেনদেন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) জিলবাংলা সুগার মিলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫৩ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৪০ টাকা ৯৫ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৯২ টাকা ২৬ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে জিলবাংলা সুগার মিলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭৮ টাকা ৮৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৪ টাকা ৩৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৩৯ টাকা ১৯ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে জিলবাংলা সুগার মিলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭৪ টাকা ৩৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮৯ টাকা ৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৩ টাকা ৩৯ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে জিলবাংলা সুগার মিলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮৯ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮৮ টাকা ২৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৯৯২ টাকা ৭ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে জিলবাংলা সুগার মিলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮৮ টাকা ২৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১৫ টাকা ৯৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৯০৫ টাকা ৭০ পয়সায়।
১৯৮৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জিলবাংলা সুগার মিলসের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৬ কোটি টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৬৮৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৬০ লাখ। এর ৫১ শতাংশ রয়েছে সরকারের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১২ দশমিক ৮৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৬ দশমিক ১২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


