শিরোনাম

South east bank ad

সিদ্ধান্ত থেকে সরল এলপিপি, কাটল ৭০০ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি শঙ্কা

 প্রকাশ: ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   আমদানী/রপ্তানী

সিদ্ধান্ত থেকে সরল এলপিপি, কাটল ৭০০ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি শঙ্কা

বাংলাদেশ থেকে পোশাক সংগ্রহ স্থগিতের ঘোষণা দিয়ে দেশের তৈরি পোশাক খাতে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত কেটে গেছে। ইউরোপের অন্যতম বড় ফ্যাশন রিটেইলার পোল্যান্ডভিত্তিক এলপিপি বাংলাদেশে ব্যবসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।
বিজিএমইএর সঙ্গে আলোচনার পর প্রতিষ্ঠানটি আগের মতোই বাংলাদেশ থেকে পোশাক সংগ্রহ ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলপিপির সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে বছরে ৭০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি ঝুঁকির মুখে পড়ত। একই সঙ্গে শত শত কারখানার অর্ডার ও কর্মসংস্থানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে সেই শঙ্কা অনেকটাই দূর হয়েছে।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু সোমবার জানান, এলপিপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর উভয়পক্ষ একটি যৌথ বিবৃতিতে সম্মত হয়েছে। এতে বাংলাদেশে ব্যবসা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি রাশিয়ার প্রতিষ্ঠান এফইএস রিটেইলের কাছে আটকে থাকা রপ্তানি আয়ের অর্থ আদায়ে সহায়তার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

জানা গেছে, রাশিয়ার খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান এফইএস রিটেইলের কাছে বাংলাদেশের প্রায় ৪০টি পোশাক কারখানার প্রায় ৪০ মিলিয়ন ডলার পাওনা দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। রপ্তানিকারকদের অভিযোগ, এফইএসের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপনে এলপিপির ঢাকা অফিসের ভূমিকা ছিল।
তবে এফইএসের আর্থিক সংকট ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাজনিত জটিলতায় ওই অর্থ আদায় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

পাওনা অর্থ উদ্ধারে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আদালতের শরণাপন্ন হলে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে ওঠে। এরই মধ্যে গত ৩০ জুলাই এলপিপি বাংলাদেশে নতুন অর্ডার, পণ্য উন্নয়ন এবং কিছু ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থগিতের ঘোষণা দেয়। এ ঘোষণার পর পোশাক খাতে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, এলপিপি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বড় ক্রেতা।

BBS cable ad

আমদানী/রপ্তানী এর আরও খবর: