স্পট মার্কেটে গ্রামীণফোন
টেলিযোগাযোগ খাতের তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি গ্রামীণফোন লিমিটেডের শেয়ার আজ ও আগামীকাল স্পট মার্কেটে লেনদেন হবে।
লভ্যাংশসংক্রান্ত রেকর্ড ডেটের কারণে ১২ আগস্ট শেয়ারটির লেনদেন বন্ধ থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) বিনিয়োগকারীদের ১০৫ শতাংশ নগদ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ দিয়েছে গ্রামীণফোন। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ঠিক করা হয়েছে ১২ আগস্ট। আলোচ্য প্রান্তিকে গ্রামীণফোনের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১০ টাকা ৫২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১১ টাকা ২১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ৫১ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য মোট ২১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১১০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ ও ১০৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে গ্রামীণফোনের ইপিএস হয়েছে ২১ টাকা ৯০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৬ টাকা ৮৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ৪৯ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ৩৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১৭০ শতাংশ চূড়ান্ত ও ১৬০ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে গ্রামীণফোনের ইপিএস হয়েছে ২৬ টাকা ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৪ টাকা ৪৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৭ টাকা ৯৫ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ।
আলোচ্য হিসাব বছরে গ্রামীণফোনের ইপিএস হয়েছে ২৪ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২২ টাকা ২৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৯ টাকা ৩৯ পয়সায়।
২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া গ্রামীণফোনের অনুমোদিত মূলধন ৪ হাজার কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৩৫০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩ হাজার ৫১৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩৫ কোটি ৩ লাখ ২২। এর ৯০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ৮০, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে


